স্বাস্থ্য বিভাগে শিগগিরই ২০ হাজার নিয়োগ | বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য বিভাগে শিগগিরই ২০ হাজার নিয়োগ | বাংলাদেশ

<![CDATA[

দেশে শিগগিরই চিকিৎসক, নার্স, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও টেকনোলজিস্টসহ আরও ২০ হাজার নিয়োগ আসছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
 

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যে আমার সময়ে যে নিয়োগ হয়েছে, দেশের ইতিহাসে এত নিয়োগ হয়নি। সবচেয়ে বেশি নার্স, চিকিৎসক আমার সময়ে হয়েছে, সবচেয়ে বেশি পদোন্নতি আমার সময়ে হয়েছে। যদি প্রমাণ চান, তাহলে পরিসংখ্যান দেখুন।
 

মন্ত্রী বলেন, ১৫ হাজার চিকিৎসক, ২০ হাজার নার্স একবারে নিয়োগ হয়েছে, এ ইতিহাস স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আর নেই। স্বাস্থ্যে আরও নতুন নিয়োগ আসছে। চার হাজার চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আছে, নতুন করে আরও আট হাজার নার্স নিয়োগ দেওয়া হবে।
 

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সফল। জনসংখ্যার হিসাব করলে পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে বাংলাদেশ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশি কাজ করেছে। হয়তো চীনেরও নিচে থাকতে পারে। কারণ চীনের হিসাবটা একটু আলাদা।
 

তিনি বলেন, শূন্য থেকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা শুরু করেছিলাম আমরা। একটি ল্যাব থেকে এখন ৮০০টি ল্যাব করা হয়েছে। দিনে ২০ থেকে ৫০ হাজার টিকা দেওয়ার মতো সামর্থ্য তৈরি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা এবিএম খুরশীদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
 

এর আগে গতকাল রোববার (২১ নভেম্বর) স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেন, দেশে রোগীদের দিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত টেস্ট-পরীক্ষা করানো হচ্ছে। এতে রোগীদের খরচ বাড়ছে। তাই চিকিৎসকদের প্রতি অনুরোধ, রোগীদের অযথা পরীক্ষা দেবেন না।
 

আরও পড়ুন: করোনা নিয়ন্ত্রণে চীনের পরে বাংলদেশের অবস্থান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
 

তিনি বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় ৬০ ভাগ টাকা রোগীর পকেট থেকে খরচ করতে হচ্ছে। এর মধ্যে ওষুধের খরচই বেশি।
 

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীরা বিনামূল্যে সেবা পান। তবুও দেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান। সেক্ষেত্রে দেশের তুলনায় ১০ গুণ বেশি খরচ হয়।
 

তিনি বলেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা এখন অনেক ভালো। হার্টের বাইপাস অপারেশন কোনো না কোনো হাসপাতালে হচ্ছে। কিডনি ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা হচ্ছে। তবে, আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়া দরকার। ক্যানসার, কিডনি ও হার্টের চিকিৎসায় আরও উন্নতি দরকার।
 

আট বিভাগে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এগুলোতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ক্যানসার, কিডনি ও হার্টের চিকিৎসা দেওয়া হবে। এসব হাসপাতালে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হলে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে হবে না।
 

দেশের হাসপাতালগুলোতে খরচ আরও কমানো যেতে পারে উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে যে পরিমাণ রিসোর্স থাকুক না কেন, ফান্ডিং, মেশিনারিজসহ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার যদি হয় তাহলে মনে করি খরচ অনেকাংশেই কমে আসবে।
 

তিনি আরও বলেন, প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয় একটু বেশি। চিকিৎসার পাশাপাশি ওষুধের দামও সেখানে বেশি হয়ে থাকে। এ বিষয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, আলোচনা করেছি। পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ সার্বিক খরচ আলোচনার মাধ্যমে একটি সহনশীল পর্যায়ে আনা যায় কি না আমরা আলোচনা করেছি এবং পদক্ষেপ নিয়েছি।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *