সিনহা হত্যা মামলা: সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫-১৭ নভেম্বর | বাংলাদেশ

সিনহা হত্যা মামলা: সপ্তম দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৫-১৭ নভেম্বর | বাংলাদেশ

<![CDATA[

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় সপ্তম দফায় আগামী ১৫, ১৬ ও ১৭ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন আদালত। ষষ্ঠ দফায় তৃতীয় দিনে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ এই সময় নির্ধারণ করা হয়।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ বিচারকাজ শুরু হয়।

এসময় ৫৮তম সাক্ষী হিসেবে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহ সাক্ষ্য প্রদান করেন। এরপর সাক্ষ্য দেন আরেক জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. দেলোয়ার হোসেন। এ ২ জনের সাক্ষ্য ও জেরার মধ্য দিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ষষ্ঠ দফায় সাক্ষ্য গ্রহণের সময় শেষ হয়। এ নিয়ে এ মামলায় ৫৯ জন সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

এর আগে গত ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত মামলার প্রথম দফার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এতে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী ও সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস এবং ২ নম্বর সাক্ষী ঘটনার সময় সিনহার সঙ্গে একই গাড়িতে থাকা সঙ্গী সাহেদুল সিফাত। পরে দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনে চারজন প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তৃতীয় দফায় তিন দিন পর্যন্ত ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলায় চতুর্থ দফায় দুই দিনে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। পঞ্চম দফায় তিন দিনে আরও ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ষষ্ঠ দফায় মোট  তিন দিনে ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।

আরও পড়ুন: ‘সুন্নতি’ চুল কাটার নির্দেশ দিয়ে বিপাকে চেয়ারম্যান

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় গত বছর ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত মামলার তদন্ত ভার দেয় র‍্যাবকে।

গত বছর ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষী করা হয় ৮৩ জনকে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *