‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণের উদ্যোগ’ | বাংলাদেশ

‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণের উদ্যোগ’ | বাংলাদেশ

<![CDATA[

ভবিষ্যতে যাতে কেউ ইতিহাস বিকৃতি করতে না পারে সে জন্য সরকার দেশের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক।

ভবিষ্যতে যাতে কেউ ইতিহাস বিকৃতি করতে না পারে সে জন্য সরকার দেশের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক।

 

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘর নির্মাণ স্থান পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

 

চট্টগ্রাম বেতারসহ এখানকার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থাপনা সংরক্ষণের মহাপরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

 

আ ক ম মোজ্জাম্মেল হক আরো বলেন, এখানে একটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের মহাপরিকল্পনা চলছে। এ জমিগুলো প্রতীকী মূল্যে আমাদের মন্ত্রণালয়ের হাতে ন্যস্ত করা হলে আমরা সেটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবো।
আপনাদের যে পরিকল্পনা, তা বাস্তবায়ন ও সংরক্ষণ করবো আমরা। পরবর্তীতে যেন মানুষের সামনে তা উপস্থাপন করা যায় সে ব্যবস্থা করবো।

 

আরও পড়ুন: ২০২২ সালে ছুটি ২২ দিন

 

মন্ত্রী বলেন, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংরক্ষণ করতে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কাজ চলছে। কিন্তু যেখান থেকে মানুষ স্বাধীনতার ঘোষণা শুনতে পেয়েছিল, সেই চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের বিষয়ে আমাদের কোনও পরিকল্পনা নেই। চট্টগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক স্মৃতিবিজড়িত স্থান রয়েছে, সেগুলো এখনও সংরক্ষণ হয়নি। কুচক্রীমহল যাতে ইতিহাসকে বিকৃত করতে না পারে, সেজন্য এ স্থানগুলো সংরক্ষণ করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জায়গাগুলো সংরক্ষণ করবো, যাতে তারা ইতিহাস বিকৃত করতে না পারে। এক মাস আগে আমাদের মুখ্য সচিবও এ স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। এ নিয়ে ইতিমধ্যে আমাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলেছেন। বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে সম্মতি দিয়েছেন। আমরা শিগগিরই এটি করবো।

 

জায়গাটি পরিদর্শন শেষে প্রোজেক্টরের মাধ্যমে বিস্তারিত বর্ণনা দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ন্যায্যমূল্য আহসান।

 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যা করার দরকার প্রধানমন্ত্রী তা-ই করে দিয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের অতন্দ্র প্রহরী। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। কিন্তু এখনও পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা ধর্মের নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা মণ্ডপে পবিত্র কুরআন রেখে তারা দেশে অশান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। উগ্র সাম্প্রদায়িকতাকে রুখতে হবে। জাতির প্রয়োজনে আবারও আমরা রাস্তায় নামবো। স্বাধীনতাবিরোধীদের কঠোর হস্তে দমন করবো।

 

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও জেলা প্রশাসকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *