মাঘের শীতে বাঘ নয়, কাঁপছে নীলফামারীবাসী | বাংলাদেশ

মাঘের শীতে বাঘ নয়, কাঁপছে নীলফামারীবাসী | বাংলাদেশ

<![CDATA[

তাপমাত্রা কমতে শুরু করায় কনকনে শীতে মাঘের প্রথম দিনে কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা নীলফামারীর মানুষ।

কথায় আছে ‘মাঘের শীতে বাঘ কাঁপে’। তবে বাঘ কাঁপছে কি না-তা জানা না গেলেও গত কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা আর মেঘ-বৃষ্টির খেলা শেষে  শীতে কাঁপছে নীলফামারীবাসী। ঘন কুয়াশা হিম বাতাস আর শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী মাঘের প্রথম দিনের শীতে চরমে উঠেছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ।

ঘন কুয়াশা, হিম বাতাস ও শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমূল, দরিদ্র আর হত দরিদ্ররা। ঘন কুয়াশা, হাড় কাঁপানো শীত উপেক্ষা করে পেটের তাগিদে কর্মের সন্ধানে বের হচ্ছেন শ্রমজীবীরা। ঘন কুয়াশার কারণে সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহন নিরাপদ যাত্রার জন্য চলাচল করছে হেড লাইট জ্বালিয়ে। ছিন্নমূল মানুষ আশ্রয় নিয়েছে স্টেশনের বারান্দা ও টার্মিনালে। দরিদ্র মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে কিছুটা হলেও শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। চাকরিস্থলে যোগ দেওয়ার আগে সকাল সকাল মানুষজন ভিড় করছে পিঠার দোকানে।

আরও পড়ুন: আজও তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড

ইপিজেডে চাকরিতে যোগানের জন্য যাওয়ার সময় হাসিনা, রাবেয়া, সুলতানা, রেবেকা ও রশিদা বলেন, আমরা থাকি গ্রামে, শীত ও কুয়াশার কারণে সকালে ভ্যান বা অটো পাওয়া যায় না। ফলে শীতে সকালে বেশির ভাগ দিনই আমরা সঠিক সময়ে কাজে যোগ দিতে পারি না।

দিনমজুর আফজাল, রবিউল, ভ্যানচালক সোহরাব, রাসেল, অটোচালক আফরোজ, নাদিম ও লোকমান বলেন, শীতের কারণে সকালে কাজে বের হলে হাত পায়ে হিম ধরে যায়। গাড়ি চালাতে কষ্ট হয়। আয় রোজগার কমে গেছে।

আরও পড়ুন: গরম কাপড়েও মানছে না শীত, বিপর্যস্ত পঞ্চগড়

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস জানায়, নীলফামারীতে গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছিল কিন্তু আজ ভোরে তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ২ ও সকাল ৭টায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন ও কুয়াশায় ঢাকা। ঘন কুয়াশায় কারণে দৃষ্টিসীমা ৭০০ মিটার আর বাতাসের গতিবেগ ছিল ১২ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *