বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য অবান্তর: তথ্যমন্ত্রী | বাংলাদেশ

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য অবান্তর: তথ্যমন্ত্রী | বাংলাদেশ

<![CDATA[

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া না থাকলে আওয়ামী লীগ থাকবে না, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্য অবান্তর বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে মানবিকতা দেখালেও বিএনপি বিষোদগার করছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন:  খালেদার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

 

 

গতকাল শনিবার (৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার্থে বিদেশে পাঠানোর দাবিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি বেঁচে না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলেই সীমান্তে শত্রুরা এখনো ভয় পায়। তিনি না থাকলে গণতন্ত্র থাকবে না। খালেদা জিয়া বেঁচে না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না। বলেন, খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেননি, তিনি বাংলাদেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা নেত্রী, অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন, বিদেশে চিকিৎসা করতে দিন। অন্যথায় আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে, সেই আন্দোলন হবে আপনাদের (সরকারের) পতনের আন্দোলন।

গত ১৩  নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন তিনি। এর আগে গত ৭ নভেম্বর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। গত ১২ অক্টোবর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

২৫ অক্টোবর খালেদা জিয়ার শরীর থেকে নেওয়া টিস্যুর বায়োপসি করা হয়। এ পরীক্ষার পর তার চিকিৎসকরা জানান, তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তার বায়োপসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা দিচ্ছেন।

 

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, দাঁত, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। এর মধ্যেই গত এপ্রিলে তিনি করোনায় সংক্রমিত হন। বাসায় চিকিৎসা নিয়ে করোনা থেকে সেরে উঠলেও শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একপর্যায়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। ১৯ জুন তিনি বাসায় ফেরেন। এর মধ্যে করোনার টিকা নিতে তিনি দুই দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান।

 

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হলে খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে পাঠানো হয়। করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। এ পর্যন্ত চার দফায় তার মুক্তির সময় বৃদ্ধি করা হয়। যদিও বিএনপির নেতারা এ সাময়িক মুক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ বলছেন। খালেদা জিয়ার পরিবার ও দল তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানিয়ে আসছে।

 

 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *