নীরবেই চলে গেল হাছন রাজার ১৬৮তম জন্মদিন | বিনোদন

নীরবেই চলে গেল হাছন রাজার ১৬৮তম জন্মদিন | বিনোদন

<![CDATA[

‘লোকে বলে বলেরে, ঘর-বাড়ি ভালা নাই আমার/কি ঘর বানাইমু আমি, শূন্যেরও মাঝার।’ এই গান শোনেনি, এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম।

দেশ, জাতি, ধর্ম এবং লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল মানুষের একটি ধর্ম রয়েছে, যাকে বলে মানবতা। এই মানবতা সাধনার একটি রূপ হলো মরমী সাধনা। যে সাধনা হাছন রাজার গান ও দর্শনে পাওয়া যায়।

তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাছন রাজা চৌধুরী। বাংলাদেশে দর্শন চেতনার সাথে সঙ্গীতের এক অসামান্য সংযোগ ঘটিয়ে যুগ যুগ ধরে আজও বাংলার মানুষের কাছে প্রিয় তিনি। ২১ ডিসেম্বর ১৮৫৪ সালে সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ শহরে জন্মগ্রহণ করেন হাছন রাজা। 

দর্শনচেতনার নিরিখে লালনের পর সর্বপ্রথম যে নামটি আসে, তা হাছন রাজার। তিনি ছিলেন জমিদার পরিবারের সন্তান। পিতা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরী ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। হাছন রাজা তার তৃতীয় পুত্র।

বিখ্যাত এই মরমী সাধককে নিয়ে ২০০২ সালে তার জীবনী ভিত্তিক একটি সিনেমা তৈরি হয়েছিল। চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত এই সিনেমাটি মূলত মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী হাছন রাজার জীবন ও কর্ম নিয়ে নির্মিত। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা হেলাল খান। সেই ছবিটিতে হাছন রাজা চরিত্রেও অভিনয় করেন তিনি। চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের সম্মাননা পেয়েছিল। একজন জমিদার বাড়ির সন্তান হাছন রাজা কিভাবে হয়ে উঠলেন একজন মরমি সাধক সিনেমাটিতে তার জীবনেগাথাঁই তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পড়শী গাইলেন মীনা কার্টুনের সেই গান

সহজ-সরল সুরে আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় সহস্রাধিক গান ও পংক্তি রচনা করেছেন এই সাধক। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন এই মহান ব্যক্তিত্ব। তার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারে গড়ে তোলা হয়েছে একটি জাদুঘর। যার নাম ‘মিউজিয়াম অব রাজাস’। দেশ বিদেশের দর্শনার্থীরা আজও হাছন রাজা ও তার পরিবার সম্পর্কে নানা তথ্য জানতে প্রতিদিন ভিড় করেন এই স্থানে।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *