‘নগদ’ এ জীবন বদলে যাওয়ার গল্প | বাণিজ্য

'নগদ' এ জীবন বদলে যাওয়ার গল্প | বাণিজ্য

<![CDATA[

মোহাম্মদ ফয়েজ যখন হাতাশায় দিন গুনছিলেন, ভেবে কূল-কিনারা করতে পারছিলেন না কিভাবে হাল ধরা যায় নিজের পরিবারের, ঠিক তখনই মোবাইল ব্যাংকিং সংস্থা নগদের ছোঁয়ায় দিন বদলে যায় তার।

মোহাম্মদ ফয়েজকে নবম শ্রেণিতে থাকতেই হাল ধরতে হয় বিরাট সংসারের। কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর পৌরসভা এলাকায় বাবা-মা, ৬ ভাই ও ২ বোন নিয়ে সংসার তাদের। ২০০৮ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর পড়ালেখার স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে সংসারের হাল ধরতে পাড়ি জমান সৈকত শহর কক্সবাজারে।
 

চার বছর ফার্মেসির দোকানে চাকরি শেষ করে নিজেই কিছু করার স্বপ্ন দেখেন ফয়েজ। ভাবেন কী করা যায়। কিন্তু কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে আবার ফিরে যান মহেশখালীতে।
 

সব বাধা পেরিয়ে ফয়েজ আবারও ছুটে যান কক্সবাজারে। তারপর বন্ধুদের সহায়তায় প্রথমে কলাতলীর ডলফিন মোড়ে ছোট একটি দোকানে বসে শুরু করেন মোবাইল রিচার্জের ব্যবসা। পরে সেখানেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ফয়েজ। নগদের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে উদ্যোক্তা হয়ে শুরু করেন ব্যবসা।

আরও পড়ুন- ‘নগদ’ পেমেন্টে ৭ শতাংশ ক্যাশব্যাক

পর্যটক, পর্যটন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দেরকে নগদের লাভ-সুবিধা ইত্যাদি বুঝাতে শুরু করেন তিনি। এরপর থেকে তার নগদ কাস্টমার বাড়তে থাকে। এভাবেই নগদের মাধ্যমে পাল্টে যায় ফয়েজের জীবন।
 

এদিকে প্রতারণার ফাঁদে না পড়ে স্বল্প খরচে সহজেই হাতের নাগালে ‘নগদ’ এর মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা পেয়ে দারুণ খুশি আগত পর্যটক, পর্যটন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা।
 

বর্তমানে মোহাম্মদ ফয়েজ নগদের কমিশনের টাকায় দোকানে ফার্মেসির ব্যবসা করছেন। আর ৩ ভাইয়ের পড়ালেখার খরচ চালানোর পাশাপাশি সংসারের যাবতীয় ব্যয় বহন করে চলছেন ফয়েজ। 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *