দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ঢাকা ওয়াসা একটি ‘রোল মডেল’: তাকসিম | বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ঢাকা ওয়াসা একটি ‘রোল মডেল’: তাকসিম | বাংলাদেশ

<![CDATA[

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান জানিয়েছেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বড় শহরগুলোতে পানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ঢাকা ওয়াসা একটি ‘রোল মডেল’।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
 

তিনি বলেন, আমাদের ওয়াসার মূল লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা। এ লক্ষ্যে ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা’ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এগুলো বাস্তবায়ন হতে একটু সময় লাগছে।
 

তাকসিম খান জানান, ঢাকা শহরে গত কয়েক বছরে বড় ধরনের কোনো পানির সমস্যা হয়নি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ (এডিবি) আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ঢাকা ওয়াসাকে দক্ষিণ এশিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে নিয়েছে।
 

ওয়াসার এমডি বলেন, ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। আর ওয়াসার দৈনিক পানি উত্তোলন ও উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০-২৭৫ কোটি লিটার এবং দৈনিক ২৬০-২৬৫ কোটি লিটার পানির চাহিদার পুরোটাই ওয়াসা সরবরাহ করছে।
 

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা ওয়াসার ১৫৬টি পানির পাম্পে সুপারভাইজরি কন্ট্রোল ও ডেটা অ্যাকুইজেশন স্থাপন করেছে। এতে পাম্পগুলো সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুমে বসে মনিটরিং ও পরিচালনা করার সুবিধা হয়েছে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
 

ঢাকার ৮০ শতাংশ এলাকায় এখনো পয়োবর্জ্যের নেটওয়ার্ক নেই উল্লেখ করে ওয়াসার এমডি বলেন, ঢাকা ওয়াসা ২০১৬ সাল থেকে স্যুয়ারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। পাঁচটি পয়োবর্জ্য শোধনাগার করার কার্যক্রম চলছে। ঢাকা ওয়াসা ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের শতভাগ এলাকাকে স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন: শান্তির বার্তা নিয়েই বিশ্বমঞ্চে এগিয়ে যেতে চায় বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি
 

তিনি আরও বলেন, রাজউক আইনে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক ভবনে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিধান রয়েছে। কিন্তু ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ ভবনে এই ব্যবস্থা রয়েছে। বাকি ভবনগুলো সিটি করপোরেশনের নালায় সরাসরি সংযোগ দেওয়া রয়েছে। এমন সব অব্যবস্থাপনা দূর করতে ঢাকা রাজধানীর দাসেরকান্দি, নারায়ণগঞ্জের পাগলা, উত্তরা, রায়ের বাজার ও মিরপুরে পৃথক পাঁচটি প্লান্ট স্থাপনের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাসেরকান্দির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন হলে খাল-নদী দূষণমুক্ত হবে বলেও জানান ওয়াসা এমডি।
 

শীতকালে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পানির সংকট দেখা দেয়, এমন প্রশ্নের জবাবে তাকসিম এ খান জানান, নদীতে পানি কমে যাওয়া এবং গভীর নলকূপের পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় শীতকালে কিছু এলাকায় পানির সমস্যা হয়। পানির পাম্পগুলোতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় পানির সংকট হলে তাৎক্ষণিকভাবে পানি সরবরাহে ওয়াসার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
 

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক উত্তম কুমার রায়, সচিব শারমিন হক আমির ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *