তেহরিক-ই-তালেবানের সঙ্গে পাক সরকারের যুদ্ধবিরতি চুক্তি | আন্তর্জাতিক

তেহরিক-ই-তালেবানের সঙ্গে পাক সরকারের  যুদ্ধবিরতি চুক্তি | আন্তর্জাতিক

<![CDATA[

পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) এর সঙ্গে এক মাসের ‘সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি’ সম্মত হয়েছে দেশটির সরকার।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানায়,  পাকিস্তান সরকারের মুখপাত্র এবং দেশটির তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দুই পক্ষের আলোচনায় সহায়তা করেছে।

 

 সোমবার ফাওয়াদ চৌধুরী এক ভিডিও বিবৃতিতে বলেছেন, ‘তেহরিক ই তালেবান এবং পাকিস্তান সরকারের আলোচনায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে। তা অব্যাহত থাকবে’।

 

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিভিকে দেয়া সাক্ষাতকারে ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষের আলোচনায় সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, শান্তি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

 

আরও পড়ুনঃ  যুদ্ধ-হলে-ইসরাইলে-ক্ষেপণাস্ত্র-বৃষ্টি-চালাবে-হিজবুল্লাহরা

 

 তিনি আরও বলেন,  সংবিধান ও আইনের সীমার বাইরে কোন সরকার কোন আলোচনা করতে পারে না। এদিকে একটি বিবৃতিতে, পাকিস্তান তালেবানের মুখপাত্র মোহাম্মদ খুরাসানি নিশ্চিত করেছেন যে ৯ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে, এই সময় উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য একটি কমিটি গঠন করবে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে।

 

গত মাসে সরকার ও টিটিপির মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়। ফাওয়াদ চৌধুরী বলেন, আলোচনার অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হতে পারে।

 

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রধান সিরাজুদ্দিন হাক্কানি মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছেন বলে ধারণা করা হয়।

 

 আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা না হলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, পাকিস্তান কয়েক ডজন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বন্দীর মুক্তির বিনিময়ে টিটিপি এক মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করতে সম্মত হয়েছে।

 

পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান হল আফগানিস্তানের তালেবান থেকে একটি পৃথক সংগঠন। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ আগে বলেছিল যে আফগানিস্তানে টিটিপি নেতাদের সাথে শান্তি আলোচনা চলছে।

 

২০০৭ সালে পাকিস্তানে তেহরিক-ই-তালেবানের জন্ম। এরপর থেকে গত ১৪ বছরের তাদের দাবি অনুযায়ী কয়েক ডজন হামলায় পাকিস্তানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে।

 

২০১৩ সালে পাকিস্তান যখন তেহরিক-ই-তালেবান  যোদ্ধাদের নির্মূল করার জন্য উত্তর-পশ্চিমে অভিযান শুরু করে তখন প্রায় দশ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। ২০১৭ সালে পাকিস্তান সরকার সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিজয় দাবি করার পর তারা বাড়িতে ফিরে আসে। 

 

এ সময় সামরিক অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান নিয়ন্ত্রিত উপজাতীয় জেলাগুলিতে তাদের শক্ত ঘাঁটি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *