তাসকিন তোপে চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা | খেলা

তাসকিন তোপে চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা | খেলা

<![CDATA[

দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি উইকেটের দুটোই নিজের নামের পাশে লিখলেন তাসকিন। দুর্দান্ত গতির বোলিং দিয়ে আবুধাবি মাতাচ্ছেন টাইগার এই পেসার।

এর আগে ব্যাট হাতে হতাশার দিনে বল হাতে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই রেজা হেনড্রিকসকে ফেরান তাসকিন। 

রাবাদা-নর্টজেরা যে উইকেটে গতির ঝড় তুলেছেন, টুর্নামেন্টের অন্যতম সর্বোচ্চ গতির বোলার তাসকিনই বা বাদ যাবেন কেন! প্রথম দফা পরাস্ত করেও অবশ্য হেনড্রিকসের উইকেট পাননি। তবে ওভারের শেষ বলে পেলেন সেটা।

ব্যাক অব আ লেংথ থেকে ভেতরের দিকে ঢোকা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ৮৮ মেইল, হেনড্রিকস মিস করে গেছেন সেটা। আম্পায়ার পল রাইফেলের এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত রিভিউ করেননি। ৬ রানে প্রথম উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

প্রথম ৪ ওভারে ২০ রান ওঠার পর মেহেদী হাসানের ওপর চড়াও হয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। এ অফ স্পিনারকে টানা দুই চার মেরেছেন তিনি। তবে বোল্ড হয়েছেন এরপর। স্কিড করা ডেলিভারি মিস করে গেছেন এ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান। ২৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

মেহেদীর পর আবারো তাসকিনের আঘাত। এবার তার শিকার হয়েছেন এইডেন মার্করাম। স্লিপে থাকা নাঈমের হাতে ক্যাচ দিয়ে কোনো রান না করেই ফিরে গেছেন প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যান। দলী ৩৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন রাবাদা-নর্টজেরা। বিশ্বসেরা বোলার রাবাদার প্রিয় প্রতিপক্ষ যেন বাংলাদেশ। নিজের অভিষেক ম্যাচেও টাইগারদের বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে রাঙিয়েছিলেন। এবার বিশ্বমঞ্চেও বলতে গেলে মাহমুদউল্লাহদের কোমড় ভেঙে দিয়েছেন তিনি। এদিন তার ৪ ওভারের স্পেলে ১৪টি ডট দিয়েছেন, ২০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। 

আরও পড়ুন : ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে বল হাতে ভালো শুরু

বাংলাদেশের সেমিফাইনালের আশা শেষ আগেই। কাগজে-কলমে যা একটু সম্ভাবনা ছিল, সেটি টিকিয়ে রাখতে হলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) ভালো খেলার কোনো বিকল্প ছিল না। কিন্তু এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো লজ্জার রেকর্ড গড়ল মাহমুদউল্লাহরা। মাত্র ৮৪ রানেই অলআউট। আর তাই প্রোটিয়াদের জয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৮৫ রান।

টানা তিন ম্যাচ হারার পর শেষ দুই ম্যাচ ভাবা হচ্ছিল সম্মান রক্ষার ম্যাচ হিসেবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ইতিহাস গড়ার বার্তা দিয়েছিলেন। 

অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের চোখেমুখেও দেখা গিয়েছিল প্রত্যয়। তবে মাঠের গল্প যেন একই। আর তাই বলাই যায়, প্রতিপক্ষ বদলায়, মাঠ বদলায়, কিন্তু বদলায় না বাংলাদেশের খেলা।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *