জ্বালানির দাম কমাতে চীনকে পাশে নিল যুক্তরাষ্ট্র | আন্তর্জাতিক

জ্বালানির দাম কমাতে চীনকে পাশে নিল যুক্তরাষ্ট্র | আন্তর্জাতিক

<![CDATA[

পেট্রোলসহ বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির দাম কমানোর জন্য প্রথমবারের মতো চীনকে পাশে নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

কারণ, এরই মধ্যে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী দামের প্রবণতায় চাপের মুখে পড়েছে বাইডেন সরকার। ভারত, জাপানের পাশাপাশি চীনও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আগের চেয়ে বেশি পরিমাণে বাজারজাত করার পক্ষে দাঁড়িয়েছে।

তবে গণমাধ্যমের খবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে তেমন পাত্তা দেয়নি তেল উত্তোলক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক ও রাশিয়াসহ এর সহযোগী রাষ্ট্রগুলো।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, বাড়ছে বাজারজাতকারীদের লাভের অংক। সেই সঙ্গে বাড়ছে জ্বালানি তেল ব্যবহারকারীদের ব্যয়ের বোঝা। এভাবেই করোনার পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দীর্ঘ সময় মন্দার কবলে থাকা বিশ্বের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী দামের এই প্রবণতাই চাপে ফেলেছে মার্কিন প্রেসিডন্ট জো বাইডেনকে। আগামী বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে মধ্যবর্তী নির্বাচন।

এরই মধ্যে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের জরিপে উঠে এসেছে, দেশটির যুব সম্প্রদায়ের ৬৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন; যার অন্যতম কারণ জ্বালানির উচ্চমূল্য। কয়েক সপ্তাহ আগেই এ যাবতকালের সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দাদের।

জ্বালানির দাম কমিয়ে চাপ মুক্তির সব পথেই হাঁটতে শুরু করেছেন বাইডেন। এমনকি সম্প্রতি বাণিজ্য শত্রু চীনকে সঙ্গে নিয়েই তেলের দাম কমাতে সরবরাহ বাড়াতে ওপেককে প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

গণমাধ্যমের খবর, যৌথ এই প্রস্তাব গত পাঁচ দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে ওপেককে। কারণ, জ্বালানি তেল আমদানিকারক শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে চীন। তবে এই জোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে রাখা না হলেও রয়েছে ভারত ও জাপান।

আরও পড়ুন: কমতে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম

এদিকে, জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে গত সেপ্টেম্বর থেকেই নিজেদের মজুদ বাজারে সরবরাহের পথে হেঁটেছে চীন। সম্প্রতি ব্যারেল প্রতি জ্বালানি তেলের দাম ৪ ডলার করে কমেছে। মজুদ বাজারে সরবরাহে মার্কিন-চীনের এই যৌথ উদ্যোগের কারণে শিগগিরই আরও দুই ডলার করে দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে, ঘুরে দাঁড়ানো বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শক্তি যোগাতে আগামী মাস থেকেই অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ওপেক। তবে, মার্কিন-চীনের এই প্রস্তবনার বিষয়ে বিশদ কোন কিছু জানায়নি সংস্থাটি।

এদিকে, গত সেপ্টেম্বর থেকেই আগের চেয়ে বাড়িয়ে প্রতিদিন ৬৫ লাখ ব্যারেল করে তেল উত্তোলন করে আসছে সৌদি আরব; যা গত জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। ওপেকের দৈনিক বাজার বিশ্লেষণ, গত বৃহস্পতিবার এক ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি হয়েছে ৮১ ডলার ১০ সেন্টে যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় এক ডলার কম।

 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *