গল্পে মশগুল স্বাস্থ্যকর্মী, শিশুকে একসঙ্গে দিলেন ৪ ডোজ টিকা! | বাংলাদেশ

গল্পে মশগুল স্বাস্থ্যকর্মী, শিশুকে একসঙ্গে দিলেন ৪ ডোজ টিকা! | বাংলাদেশ

<![CDATA[

রাজশাহীতে ১০ মাস বয়সী এক শিশুকে একসঙ্গে চার ডোজ টিকা প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। শিশুটিকে ওই টিকার তিনটি ডোজ আগেই দেওয়া হয়েছিল। আজ চতুর্থ ডোজের টিকা দেওয়ার জন্য শিশুটিকে রাজশাহী নগরের নিউ কলোনি এলাকার ইপিআই কেন্দ্রে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীরা এক ডোজের বদলে চার জোজ টিকা প্রয়োগ করেন।

রোববার (৯ জানুয়ারি) রাজশাহী নগরের নিউ কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা হলেন- রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) স্বাস্থ্য বিভাগের মাঠকর্মী জোসনা, শিল্পী, তহমিনা ও সুপারভাইজার আজাহার আলী।

শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় নগরের ছোট বনগ্রাম এলাকার শেখ রাসেল শিশুপার্কের পাশে আরবান ক্লিনিকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় সুমাইয়া খাতুন নামের ওই শিশুকে টিকা দিতে নিয়ে গিয়েছিলেন তার মা মৌসুমী।

আরও পড়ুন : ৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের সুরক্ষিত রাখবে ফাইজারের টিকা

সুমাইয়া নগরের নিউ কলোনি এলাকার সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে। গল্পের ছলে স্বাস্থ্যকর্মীরা সুমাইয়াকে একসঙ্গে চার ডোজ টিকা দিয়েছেন। তার মধ্যে তিনটি ডোজ পুনরায় দেওয়া পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা সাদ্দাম হোসেন।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, বাচ্চাকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর তার শরীর খারাপ হতে দেখে আমার সন্দেহ হয়। টিকা কার্ড পরীক্ষা করে বুঝতে পারি যে, ভুল করে অতিরিক্ত টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। তখনই আমি ওই টিকাকেন্দ্রে ছুটে যাই। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীরা মোটেও পাত্তা দিচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে আমি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশ ডাকি। খবর পেয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল হক আসেন। তাদের সামনে স্বাস্থ্যকর্মীরা স্বীকার করেন যে ভুল করে টিকার ডাবল ডোজ দিয়ে ফেলেছেন তারা।

তিনি জানান, সুমাইয়াকে গত বছরের ২৩ জুন ইপিআইয়ের টিকার তৃতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ ডিসেম্বর চতুর্থ ডোজ দেওয়ার কথা ছিল। তখন রাজশাহীতে না থাকায় টিকা দেওয়া হয়নি। বুধবার শিশুকে নিয়ে যাওয়া হলে অতিরিক্ত টিকা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : ঢাকায় ‘বুলেট’ গতিতে ছড়াচ্ছে করোনা

টিকা প্রদান কর্মসূচির সুপারভাইজার আজাহার আলী বলেন, ঘটনার সময় আমি কেন্দ্রে ছিলাম না। তবে স্বাস্থ্যকর্মী রেজিস্টার ও ট্যাব না দেখে বাচ্চাটিকে ভুল করে টিকা দিয়েছেন বলে তিনি শুনেছি।

অন্যদিকে, বিকেলে শিশুটিকে দেখে যান রাসিকের চিকিৎসক সরকার বনি। তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে চাননি।

রাসিকের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৌহিদুল হক বলেন, রাসিকের চিকিৎসা কর্মকর্তা সরকার বনি শিশুটিকে দেখে এসে জানিয়েছেন তার সমস্যা হবে না।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এফ এ এম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত চারজনকে কারণ দর্শানোর চিঠি দেওয়া হয়েছে।
 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *