ইতিহাস গড়া জয় যে কারণে ভুলে যেতে চান মুমিনুল | খেলা

ইতিহাস গড়া জয় যে কারণে ভুলে যেতে চান মুমিনুল | খেলা

<![CDATA[

বাংলাদেশে তখনো ভোরের আলো ফুটেনি। এরই মধ্যে তাসমান পাড়ের দেশ নিউজিল্যান্ডের মাটিতে লাল-সবুজের নতুন সূর্যোদয়। দেশের ক্রিকেটের সেরা অর্জন বললেও কম বলা হবে।

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক এক জয় পেল বাংলাদেশ। কিউইদের মাটিতে এর আগে কোনো ফরম্যাটেই জিততে পারেনি টাইগার বাহিনী। সেই গেরো কাটল ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণ দিয়েই, তাও আবার ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে।
অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয়, অসাধারণ-কোনো বিশেষণই এই জয়কে উপমা দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে অনেকগুলো প্রথমের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ। দেশের বাইরে টপ পাঁচ টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে প্রথম জয়ও এটি।

এদিকে, ঐতিহাসিক জয়ের পর টাইগার কান্ডারি মুমিনুল হক কৃতিত্ব দিলেন দলগত পারফরম্যান্সকেই। ম্যাচশেষে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দুই দলই ম্যাচটি জেতার জন্য মরিয়া ছিল। তবে আমরা আমাদের বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে ম্যাচে এগিয়ে গিয়েছি। এবাদত-তাসকিনরা দুই ইনিংসেই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। বিশেষ করে এবাদত অবিশ্বাস্য ছিল।

মুমিনুল বলেন, সবশেষ কয়েকটা টেস্ট ম্যাচে আমরা ভালো করতে পারছিলাম না। আর তাই নতুন বছরে ঘুরে দাঁড়ানোর তাড়না ছিল। অবশেষে সেটা পেরেছি। তবে এ মুহূর্তে জয়টা আপাতত ভুলে যেতে চাই। আমাদের এখন সব ভাবনা দ্বিতীয় তথা ক্রাইস্টচার্চ টেস্ট ঘিরে।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) ৪০ রানের টার্গেট দুই উইকেট হারিয়ে হেসেখেলে পেরিয়েছে বাংলাদেশ। টাইগারদের হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭, মুমিনুল ১৩ ও মুশফিকুর রহিম ৫ রান করেন। শান্তকে আউট করেন কাইলে জেমিসন। এর আগে ৩ রান করা সাদমান ইসলামকে সাজঘরে পাঠান টিম সাউদি।

আরও পড়ুন : নিউজিল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

টাইগারদের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয়েছে ১৬৯ রানে। পঞ্চম দিনের শুরুতেই জোড়া উইকেট নেন এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ। দিনের শুরুতেই আগের দিনের অপরাজিত থাকা রস টেলরকে সাজঘরে পাঠান টাইগার পেসার এবাদত। এবাদতের বল সরাসরি স্টাম্পে আঘাত হানে টেলরের। ১০৪ বলে তিনি করেন ৪০ রান। এ উইকেটের ফলে ৫ উইকেট পূর্ণ হয় এবাদতের। 

টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের এটি ৯ বছর পর প্রথম কোনো পাঁচ উইকেট শিকারের ঘটনা। টেলরকে বিদায় করার পর এবাদতের শিকারে পরিণত হন কাইলে জেমিসনও। শরিফুল ইসলামকে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন তিনি। নামের পাশে কোনো রানই তুলতে পারেননি জেমিসন।

এরপর তাসকিন আহমেদ তুলে নিলেন রাচীন রবীন্দ্রর উইকেট। রবীন্দ্রর পর তাসকিন নিয়েছেন টিম সাউদির উইকেটও। এদের মধ্যে রবীন্দ্র ১৬ ও সাউদি শূন্য রানে আউট হয়েছেন। ৮ রান করা বোল্টকে ফেরত পাঠান মিরাজ। বাংলাদেশের হয়ে এ ইনিংসে ৪৬ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নেন এবাদত। তাসকিন নেন ৩ উইকেট।

 

 

 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *