ইউপি নির্বাচন: পাবনায় নৌকার অফিসে আগুন, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩১ | বাংলাদেশ

ইউপি নির্বাচন: পাবনায় নৌকার অফিসে আগুন, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩১ | বাংলাদেশ

<![CDATA[

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে পাবনার সুজানগরে সহিংস হয়ে উঠছে গ্রামীন জনপদ। গত শনিবার (৬ নভেম্বর) উপজেলার সাগরকান্দি ইউনিয়নে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের রেশ কাটতে না কাটতেই রোববার ( ৭ নভেম্বর) রাতে মানিহাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এসময় বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন নৌকার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। অপরদিকে একই অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থীরও। এতে ৩ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- বনকোলা গ্রামের মিলন খানের ছেলে মোতালেব (৩৭), আব্দুল মজিদের ছেলে সাগর (৩৫) ও মৃত আব্দুর রহমান খানের ছেলে ফজলু (৫৫)। 

আহত মোতালেবের অবস্থা অবনতি হলে তাকে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিউল ইসলাম বলেন, আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্বাস আলী মল্লিকের বাড় বনকোলা এলাকায় হওয়ায় তারা আমাদের একটি নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর করে নৌকায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। মুহূর্তের এ খবর ছড়িয়ে পড়লে নৌকার কর্মী সমর্থকরা বিক্ষোভ সহকারে বনকোলা বাজারের দিকে গেলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন আমাদের উপর অতর্কিতে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় মিছিলের লোকজন দিশেহারা হয়ে ছুটোছুটি করে নিরাপদ আশ্রয় নেয়। তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় আমাদের প্রায় ১০ জন কর্মী সমর্থক আহত হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করে বিতর্ক সৃষ্টির চেষ্টা সফল হবে না।

আরও পড়ুর : নৌকায় ভোট না দিলে কেন্দ্রে আসার দরকার নেই’

অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্বাস আলী মল্লিক বলেন, রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা অতর্কিত ভাবে বনকোলা বাজারে এসে আমার সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে ও আমার নির্বাচনী প্রচারণার অফিস ভাঙচুর করে। তারা আমার কর্মীদের কুপিয়ে ও গুলি করে আহত করেছে। নিশ্চিত পরাজয় জেনে নৌকার প্রার্থী আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছেন। আমি বিষয়টি লিখিত আকারে কাল নির্বাচন অফিস ও থানায় অভিযোগ করবো বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম স্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *