আসছে শৈত্যপ্রবাহে ত্বকের যত্নে করণীয় | লাইফস্টাইল

আসছে শৈত্যপ্রবাহে ত্বকের যত্নে করণীয় | লাইফস্টাইল

<![CDATA[

শৈত্যপ্রবাহ বলতে আমরা বুঝি, বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৬-৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে।

সারা দেশে কিছুদিন আগে থেকেই শীত পড়তে শুরু করেছে। এবার রাজধানীতেও শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। কিছুদিনের মধ্যে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। এছাড়া আগামী দু-একদিনের মধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের আভাস মিলেছে।

এই  শৈত্যপ্রবাহে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে আমরা কিছু ঘরোয়া পন্থা অবলম্বন করতে পারি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এসব পন্থাগুলো!

ত্বকের যত্ন:
মুখের ত্বক পরিষ্কার করার জন্য সরাসরি ঠান্ডা পানি ব্যবহার না করে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। মুখের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগান। ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে জবা ফুলের গুঁড়ার সঙ্গে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে ফেস সিরাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। শীতে রুক্ষতা থেকে শরীরকে কিছুটা রক্ষা করতে ও মসৃণতা বজায় রাখতে গোসলের আগে সারা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিন। গোসল শেষে অবশ্যই শরীরে বডি লোশন লাগিয়ে নিন।

হাতের যত্ন: 
মুখের ত্বকের যত্ন নিয়ে মানুষ যতটা সচেতন, অনেক সময় হাতের যত্নের বিষয়ে ততটা দেখা যায় না। যদিও হাতের ত্বক শীতকালে অনেক বেশি রুক্ষ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁদের বারবার হাত ধুতে হয়, তারা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। এ সময় হাতে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। বারবার যাদের হাত ধুতে হয় কিংবা স্যানিটাইজ করতে হয়, তাদের দিনে কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার।

পায়ের যত্ন:
শীতের আসার সঙ্গে সঙ্গেই পা ফাটার সম্ভাবনা দেখা দিতে থাকে। সেক্ষেত্রে পায়ে কোকোনাট ও শিয়া বাটার ক্রিম লাগালে তা অনেক সময় ধরে পায়ের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে। আর যদি গোড়ালি ফেটে যায় তবে তাতে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে রাখতে পারেন। এতে গোড়ালি ফাটা কমবে।

ঠোঁটের যত্ন:
শীতে সবচাইতে বেশি শুষ্ক হয়ে যায় আমাদের ঠোঁট। ফাটা প্রাণহীন ঠোঁটে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে চিনি ও মধুর কোনো তুলনা হয় না। লিপবাম আপনার ঠোঁটে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। রোজ ঘুমানোর আগে ঠোঁটে হালকা করে মধু লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। এতে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় থাকে।

বেশি বেশি পানি পান:
শীত মৌসুমে অনেকে তুলনামূলক কম পানি পান করে থাকেন। এটা ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। এ সময়ে বেশি বেশি পানি পান করতে পারেন। শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে তা একদিকে ত্বকে নানা রোগব্যাধির জন্ম দেয়, ত্বক খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যায়; অন্যদিকে পানির অভাব নানা শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

নিয়মিত গোসল:
ত্বক শুষ্ক রাখতে নিয়মিত গোসল করতে হবে। তবে কোনোভাবেই অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল করা যাবে না। কারণ অতিরিক্ত গরম পানিতে ত্বক আরও শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে পড়ে। গরম পানির পরিবর্তে গোসলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *