অবশেষে পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগ | বাংলাদেশ

অবশেষে পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগ | বাংলাদেশ

<![CDATA[

সম্মেলনের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (৩১ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ফেসবুক পেজে পূর্ণাঙ্গ ওই কমিটি প্রকাশ করা হয়।

শনিবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ২৯৫ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটিতে ৯০ জনকে সহ-সভাপতি, ১১ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১১ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩১ জনকে বিভিন্ন বিভাগীয় সম্পাদক, ১০৫ জনকে উপ-সম্পাদক, ২৭ জনকে সহ-সম্পাদক ও ১৮ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

কমিটির সহ-সভাপতি হয়েছেন- সুজন দত্ত, শামীম হোসেন, শেখ হারুনুর রশিদ রাশেদ, মো. সাইদুল ইসলাম, আমির হামজা ভূঁইয়া নাহিদ, শহিদুল আলম জীবন, মো. রাসেল আহমেদ, আজিম মোল্লা, সৈয়দ হাসনাত সিফাত, মো. মোকাব্বের ভূঁইয়া, মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিফাত উল্লাহ খান হৃদয়, কাজি আশিক, এমএইচ মো. মনির হাসান ভূঁইয়া, নাসিম সরকার, সামিউল বাসার, তানিম চৌধুরী, মো. জাহিদ হাসান, আমির সোহেল, হাবিবুল্লাহ ভূঁইয়া বিপ্লব, আরিফিন প্রীতম, শেখ মো. তাহসিন তারিফ, সাদ্দাম বেপারী, কায়সার আহমেদ, ইমরান খান, আমিনুল ইসলাম শাহিন, রাশেদ খান, মো. আরাফাত, উবাইদুর রহমান বাবু, মামুন আহমেদ সরকার, অনিন্দ্য দাস অনু, দীয়াব মাহমুদ, মোরসালিন আহমেদ চৌধুরী, সানি শাহ, মোহাম্মদ ফাহিম হিরন, কাজী জসীম, আলমগীর হোসেন নিরব, সাজ্জাদ আলী শাহ সৌরভ, আবু সুফিয়ান, মো. জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম মুহিন, ইসতিয়াক আহমেদ, সাব্বির আহমেদ শাওন, ইকবাল হোসেন সাদ্দাম, এবিএম রাশিদুল ইসলাম ডলার, আলমগীর হোসেন রেজা, আরিফুল ইসলাম, নাইমুল হক রাখাওয়াত হোসেন, জেসমিন সুলতানা প্রিয়া, রিয়াদ সরকার, আহম্মেদ ইমতিয়াজ কাউছার, আকরাম উদ্দিন ভূঁইয়া লিমন, রকি চৌধুরী, মো. শাফি আলম, হাসান আল ফারাবি জয়, আশরাফুল আমিন শিহাব, তোফাজ্জল উদ্দিন ঠাকুর, কায়সার আহমেদ, রায়হান কবির রকি, সাইফুল ইসলাম রনি, মো. মোবারক হোসেন জিসান, ইমদাদুল ইসলাম ইমন, সানজিদা আক্তার প্রজ্ঞা, মেহরাব হোসেন খাঁন, আতাউল মোস্তফা তানিম, হানিফ প্রধান, ফাহিম হোসেন, জাহিদ হাসান মাদুর, আসিফুল ইসলাম, আবদুল্লা আল মামুন, মো. রেজায়েন রাব্বি ভূঁইয়া, আমিনুল ইসলাম হানিফ, সৈয়দ তানভীর শাহ, ইমরান আহমেদ, ইমতিয়াজুল ইসলাম অনিক, এনামুল হক পারভেজ, সাইফুল হক বাবু, আজিজ মিয়া, লুৎফুর রহমান, রাকিবুল হাসান চৌধুরী, মো. শরীফ খান, হাসিব হোসেন চৌধুরী সাব্বির, দেবাশীষ আচার্য, মো. আইয়ূব খান, তারেক রহমান মৃদুল, জাহিদুর রহমান অপু, কাজি আবদুল আমিন, সিফাত আহমেদ, সামির আহম্মেদ সাইদুল, মো. রাসেল আহমেদ ও মহিউদ্দীন খান।

আরও পড়ুন: ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুমন, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন- মিকাইল হোসেন হিমেল, নাঈম বিল্লাহ, সাইফুল ইসলাম হৃদয়, রবিউল আলম রবিন, হৃদয় শাহ, জসিম আহমেদ রবিন, এমএইচ মাইনউদ্দিন হৃদয়, সৈয়দ জাহিন রেজা, ইকরাম মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম।

সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন- মহসিন মোল্লা, আজহারুল হাসান মিঠু, জুনায়েদ আহমেদ, নাহিদ আলম, রহুল আমিন আফ্রিদি, তন্ময় হোসেন সাব্বির, নাহিদ হক, আশিকুল ইসলাম হৃদয়, নাজমুল হাসান, শামীম আহমেদ ও শান্ত কুমার রায়।

পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদি মিশু, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- তাজিন নূর সাকিব, জাহিদুল ইসলাম শিপন, মাজহারুল ইসলাম সিজান ও আশিকুল ইসলাম অপু।

স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল হাসান পারভেজ হৃদয়। উপ-স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- উজ্জ্বল মোল্লা, মো. আল আমিন ও এমদাদুল হক চৌধুরী ইমরান।

বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান খাঁন। উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- মশিউর রহমান জেমি, আজিজুল হক হৃদয়, কাজী তানভীর বিজয়।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. আকরাম হোসেন। উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- আবু সালেক চৌধুরী, তৌকির আহমেদ ও সাইফুল ইসলাম ফমি।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী ফুজায়েল আহমেদ। উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- হৃদয় দত্ত, মো. রিয়াদ আহমেদ ও মারুফ আল ভূঁইয়া।

পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক ওয়াছি উদ্দিন। উপ-পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, মারুফ খাঁন, নাজমুল ইসলাম সোহাগ ও সজীব দাস প্রথিত।

তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সাজ্জাদ খাঁন অনন্ত। উপ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- সাকিব সারোয়ার, আতিকুল ইসলাম ফাহাদ, শিশির আলম, ফয়জুর রহমান বকশী।

ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ইসরাত জাহান সেতু। উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, তাহসীন চৌধুরী তানহা ও আমেনা ভূঁইয়া।

অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ইফতেখার রনি। উপ-অর্থ বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- খন্দকার মাশরুল আল ফাহিম, সাব্বির আহমেদ ও সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল।

আইন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ গোলাম দস্তগীর। উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন- ফাহিম আল ফয়সাল, আব্দুল্লাহ আল সাদি, মো. মারজান ভূঁইয়া ও ইমাম মেহেদী রহমান।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হলেন- মো. সায়েদুল মোস্তফা, উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকেরা হলেন, হৃদয় খন্দকার, সোহাগ আহমেদ ও আশরাফুল ইসলাম রনি।

কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হলেন- মো. শাহিন মিয়া। উপ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক দিদার হোসেন সরকার দিপু, কাজী মো. সালমান ও রাব্বি শিকদার।

গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হলেন- আতা এলাহি শাওন, উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত মিশু, নাজমুল হাসান অভি ও আকাশ মিয়া।

ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক হলেন- মাজেদুর রহমান, উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ফারদিন তাহের রাহুল ও জুবায়েদ আহমেদ।

সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক হলেন শাহ মো. মনসুর, উপ-সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম সজিব, সাইদুল ইসলাম সাইমন ও জুনায়েদ বিন শাহিন।

গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক সাজন আচার্য, উপ-গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক জোনায়েদ আহমেদ জুনু, নাজিমুদ্দিন নাদিম ও মো. কামরুল হাসান।

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান কামাল, উপ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, পাবেল শিকদার, তানবির রহমান ফাহিম ও আতাহার উদ্দিন আমরিন।

মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক আরমান মিয়া, উপ-মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক তাফসিরুল হক চৌধুরী নিবির, মো. আলাউদ্দিন নাসিম ও মো. মহিউদ্দিন লিমন।

আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসাইন, উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক , ইয়াছিন নুর আজাদ, নাঈমুল ইসলাম নাঈম ও আশরাফুজ্জামান তারিফ।

ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরুল হাসান চৌধুরী সৈকত, উপ-ছাত্র বৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক, আশরাফুল আলম রিপন, এমএস সোহাগ ও মো. জহিরুল ইসলাম।

শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহিম আনসারি অপূর্ব, উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুমন, তামিম শাহ নাবিদ, জাহিদুল ইসলাম ফাহাদ ও রাশেদুল হক সালমান।

সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আল মিহাদ খাঁন শান্ত, উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, আমিনুল ইসলাম আমিন, আশিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, লোটাস কামাল ও ফজলে আকরাম খান।

সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক সাকিবুজ্জামান সাকিব, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন আকরাম হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. শাহ জামাল ও সাইফুল ইসলাম সিয়াম।

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ইয়ার হোসেন নিখিল,উপ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রুবেল শিকদার, আবু বক্কর সিদ্দিক, ইফতেখার আহমেদ জয় ও আমির কবির ভূঁইয়া।

প্রচার সম্পাদক তাসনিম রশিদ সাদমান, উপ-প্রচার সম্পাদকরা হলেন, নাইমুর রহমান অভি, প্রান্ত মোল্লা, মীর হামজা মাহমুদ ও মাহমুদুল হাসান পায়ন।

দপ্তর সম্পাদক তাহসিন রহমান সামী। উপ-দপ্তর সম্পাদক সাঈদ হোসেন সাইমন, তানজিরুল ইসলাম উৎস, আবদুল আলিম, সামিউল আরাবি, হাফেজ মাওলানা নাহিদ ও আশিকুর রহমান।

গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক একে নুর জাবেদ মাহমুদ। উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, মোস্তাকিম ফারুকী, মো. আরিফ মিয়া, শামস্‌ জাকারিয়া ও রবিউল বাশার খান।

মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হলেন রবিউল ইসলাম রুমি, উপ-মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন সম্রাট, আফজাল হোসেন, মো. সাইফুল ইসলাম সাকিব ও এম.এন ইসলাম রিয়াজ।

নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম জয়, উপ- নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক মাহাবুবউল্লা মাসুম, সামিউল ইসলাম ও ইমতিয়াজ আলম।

কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক কামরুল হাসান সোহান, উপ-কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, ইকরাম আহমেদ, আল আমিন সরকার ও আফসার সাইফ।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. মিনহাজুর রহমান, উপ-কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদকরা হলেন, আশরাফ তাহসিন, জাহিদ হাসান, শেখ মো. রিয়াজুল ও সাইফুল ইসলাম উজ্জ্বল।

কমিটির সহ-সম্পাদকরা হলেন, জুনায়েদ আহমেদ, আবদুল্লাহ পারভেজ, শাওন আহমেদ শিখন, আল মামুন, কবি ফয়েজ, আল-মামুন, কবি ফয়েজ, সানাউল হক বাবু, আতিক হাসান রকি, রিফাত হোসেন, জুবাইদ আহমেদ, লিটন আহমেদ, ইফরান খাঁন, মোস্তাফিজ ফাহিম, কাজী মো. আজিজ, হাবিব আল তিমন, জিয়াউল হক তুষার, আরিফিন হৃদয়, দেওয়ান রাজন, সাইদ করিম মুগ্ধ, রাজবির ওমর, রুমেল খাঁন, মো. আরিফুল ইসলাম, মো. মনির হাসান, মো. মোজাম্মেল হক, এসকে শুভ, তাবারক হোসেন, আবু রায়হান সরকার ও শিশির আলম।

কমিটির সদস্যরা হলেন, রাহাত হোসেন, মো.জুবায়ের মাহমুদ খাঁন শ্রাবণ, সামি আহমেদ নাবিল, টিটু ভূঁইয়া, শাকিল আহমেদ তানিম, ফাহিম মামুন, আশরাফ উদ্দিন, ইজাজ চৌধুরী, এনামুল হক নিলয়, জয়ন্ত দেব রকি, আবদুর রহমান আপন, প্রান্ত শিকদার, মেহেদি হাসান পিয়াল, আবদুল আজিজ অনিক, শাহীন আহমেদ, মোস্তফা শাহারিয়ার শুভ, এসএমএ আবদুল্লাহ আল ইসলাম অনিন্দ্য ও আক্তারুজ্জামান অপু।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা অনেক আগেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রের কাছে জমা দিয়েছিলাম। করোনা ভাইরাসের কারণে কমিটি গঠনে একটু বিলম্ব হয়েছে।

গত ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি।

]]>

সূত্র: সময় টিভি

Like
Like Love Haha Wow Sad Angry
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *